সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কথোপকথন (Dialog):- এটা কি একধরনের পরীক্ষামূলক আর্ট অথবা আর্টিফিশীয়াল হবে নাকি আরও কৃত্তিমতা নিয়ে অধিকন্তু কিছুটা খাপছাড়া বাস্তবতা হতেই হবে

 শিল্প এবং শিল্পীর মধ্যে একটি সেতুবন্ধন কেন থাকা খুব জরুরী। সেন্সর বাদে স্বীকৃত সব বিষয়গুলি সিনেমায় দেখানো হলেও সেটা তো সমাজেরই অংশবিশেষ। এটা স্বীকার করাই হোক অথবা অস্বীকার করলেও আজকাল একটি বিষয় খুবই স্পস্ট যে মানুষের বুদ্ধীবৃত্তিকে ফাঁকি দিতে পারলেই যেন ব্যাবসা সফল ছবির নিশ্চয়তা পাওয়া যায়। কম্যুনিকেশান গ্যাপ ভয়াবহ কথা মনে না হলেও বাস্তব চিত্র কিন্তু ভিন্ন। এটা সমাজের উন্নয়নের জন্য কমবেশী বিপদজনক বলে চিহ্নিত। শুধু বিনোদন দিয়ে একটি কম্যুনিকেশন গ্যাপ পূর্ণ করা যায় না। এজন্য সুস্থ স্বাভাবিক সমাজ ধারনায় ভালো ডায়ালগ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারন ছবি দেখতে বসে যেন কখনই এমনটা বোধ না হয় যে ''আমি গয়া গেলাম কাশীও গেলাম সঙ্গে নাই মোর বৈষ্ণবী''। এমন স্বাদের বৈরাগী রন্ধন প্রনালী এটাতো আসলে দর্শকের বুদ্ধিকে সারপাস করে বানিজ্যিক ধরানার ছবি বনানোর প্রকৃয়া।

ছবির ধারনায় নির্মীত ছবিগুলো সৃস্টিশীল হয় না উপরন্তু সব ছবি দুঃশ্চিন্তার কারন হচ্ছে কিনা এদিকটাও ভাবতে হচ্ছে।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সংস্কৃতির ডাউনটাউন শহরের বাইরের জীবনকে অবশ্যই প্রভাবিত করবে। সংস্কৃতিচর্চা জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতায় থাকলে পরে মানবিক উৎকর্ষ তখন বাধাপ্রাপ্ত ও শুধুই সাময়িক হয়।

 সবাই একই ধরনের সংস্কৃতির ধারক বাহক নয়।মানুষ অতীতের পারিবারিক ঐতিহ্যকে  লালন করে থাকে। তারপর মহৎ ব্যাক্তি জাতীয় সংস্কৃতির অংশ হতে পারলে একটি দেশীয় ঐতিহ্যের অংশবিশেষ বলে ব্যাক্তিরও পরিচিতি আসে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এদেশে জমিদার শ্রেনী প্রায়শঃই যেসব ললিতকলায় সম্পৃক্ত হয়ছিলো সেসব আসলে অতীতের সুখদুঃখের কাহিনী। এবং বর্তমানের সঙ্গে তাদের জোরদার সম্পর্ক থাকলেও অতীতের কোন একটি দুঃখবোধের ইতিহাস সেখানে প্রছন্ন থাকে বিধায় নিশ্চূপ থেকে সাধারন মানুষও তাতে অংশগ্রহন করতে পারে মানষিক জাগরনে। কিন্তু নিশ্চুপ সাধারন মানুষের ক্ষমতাকে পুঁজি করলে তার খেসারত দিতে হয়। সবাই ব্যাক্তি মানষিকতার ব্যার্থতার দুঃখবোধে ভুগে না সব মানুষই একসঙ্গে অতীতমুখি হয় না।মানুষ না খেতে পেলেও বিনোদন প্রত্যাশি হবে এটাই পৃথিবীর ইতিহাস থেকে জানা যায়। জমিদার শ্রেনী মূলতঃ তাদেরই ঐতিহ্যকে বিশেষায়িত করে।জাতীয় জীবনে জ্ঞানভান্ডার সমৃদ্ধ করতে প্রয়োজন হয় সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা যাতে করে মানুষ ঐতিহ্য চর্চা থেকে বেরিয়ে এসে একটি অর্থপূর্ন জীবনকে উপলব্ধি করতে পারে। ভবিষৎকে অনিশ্চয়তার বেড়াজাল দিয়ে বাঁধা পরিহার করে মানষিকভাবে সুস্থ থাকতে...

Denouncing এর প্রচলিত ধারাবাহিকতা কত শতাংশ পার্থিব আর কি পরিমান অপার্থিব তার একটি গঠনমূলক আলোচ্যসূচী

  কাউকে অভিযুক্ত করা ভীলেন তৈরী সিনেমা শিল্পে একটি অপরিহার্য বিষয়। কেন আসলে ভীলেন প্রয়োজনীয়। এটা কি জন্য গুরুত্বপূর্ন অথবা অপরিহার্য।আসলে যে কোন গঠনতন্ত্রে মূলমন্ত্র হল তার টেকসই হওয়া, এবং এটা মানষিক বা প্রোপাগান্ডা উভয় প্রকারেরই হতে দেখা যায়। ব্যাবসার কথা মাথায় রেখেই একটি বৈষম্যের চিত্র ফুটানো হচ্ছে যেখানে প্রয়োজনীয়তা নীরিক্ষন প্রধানতম কারন হতে হবে; কারো চরিত্র চিত্রন আসল উদ্যেশ্য নয়। ব্যক্তির ভালো বা মন্দ চরিত্র সঠিক ভাবে চিত্রিত না করতে পারলে এই বিশেষ উদ্যেশ্যটা অর্থাৎ সমাজ নীরিক্ষাটি পরিস্কার হবে না। সেটা তখন কেবল ঘন্টাব্যাপী বানিজ্যিক উদ্দেশ্যে নিয়ে কিছু বানিজ্যিক মিথ্যাচার করা হবে।এসব হয়তো ক্যারিক্যাচার বা তাও না হলে তখন মানহানীর সামিল। কারন রূপালি পর্দায় সবটাই তো সত্য নয়। তাই শতভাগ বনোয়াট কাহীনি অবাস্তবতার নামান্তর।কিন্তু ডক্যুমেন্টারীর মত সিরিয়াস ভাবে উপস্থাপন করা বিষয় হলেও তো আর সেটা বিনোদনের জন্য প্রধান এই চলচিত্র মাধ্যমটিকে টার্গেট করে করা ঠিক নয়। সুতরাং একটি মাঝামাঝি অবস্থানই কাম্য। চলচিত্র একটি শক্তিশালী গনমাধ্যম এটাকে দূর্বল করা বা গৎবাঁধা নিয়মে সবটাই বিক্রয় মূল্যমানে...