সংস্কৃতির ডাউনটাউন শহরের বাইরের জীবনকে অবশ্যই প্রভাবিত করবে। সংস্কৃতিচর্চা জমিদারদের পৃষ্ঠপোষকতায় থাকলে পরে মানবিক উৎকর্ষ তখন বাধাপ্রাপ্ত ও শুধুই সাময়িক হয়।
সবাই একই ধরনের সংস্কৃতির ধারক বাহক নয়।মানুষ অতীতের পারিবারিক ঐতিহ্যকে লালন করে থাকে। তারপর মহৎ ব্যাক্তি জাতীয় সংস্কৃতির অংশ হতে পারলে একটি দেশীয় ঐতিহ্যের অংশবিশেষ বলে ব্যাক্তিরও পরিচিতি আসে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এদেশে জমিদার শ্রেনী প্রায়শঃই যেসব ললিতকলায় সম্পৃক্ত হয়ছিলো সেসব আসলে অতীতের সুখদুঃখের কাহিনী। এবং বর্তমানের সঙ্গে তাদের জোরদার সম্পর্ক থাকলেও অতীতের কোন একটি দুঃখবোধের ইতিহাস সেখানে প্রছন্ন থাকে বিধায় নিশ্চূপ থেকে সাধারন মানুষও তাতে অংশগ্রহন করতে পারে মানষিক জাগরনে। কিন্তু নিশ্চুপ সাধারন মানুষের ক্ষমতাকে পুঁজি করলে তার খেসারত দিতে হয়। সবাই ব্যাক্তি মানষিকতার ব্যার্থতার দুঃখবোধে ভুগে না সব মানুষই একসঙ্গে অতীতমুখি হয় না।মানুষ না খেতে পেলেও বিনোদন প্রত্যাশি হবে এটাই পৃথিবীর ইতিহাস থেকে জানা যায়।
জমিদার শ্রেনী মূলতঃ তাদেরই ঐতিহ্যকে বিশেষায়িত করে।জাতীয় জীবনে জ্ঞানভান্ডার সমৃদ্ধ করতে প্রয়োজন হয় সুস্থ সংস্কৃতি চর্চা যাতে করে মানুষ ঐতিহ্য চর্চা থেকে বেরিয়ে এসে একটি অর্থপূর্ন জীবনকে উপলব্ধি করতে পারে। ভবিষৎকে অনিশ্চয়তার বেড়াজাল দিয়ে বাঁধা পরিহার করে মানষিকভাবে সুস্থ থাকতে পারলে এবং মুক্তভাবে চিন্তা করতে সক্ষম হলে পরে সেক্যুলারিজমে উন্নিতকরন তখন অনেকটাই বাস্তব ভিত্তিতে প্রনীত হবে। মানুষের সাম্যবাদি ধারনা কখনোই কোন দুঃখের গান দিয়ে গাওয়া হয় না। এখানই ইতিহাসের ভূমিকা প্রধান বিধায় ঐতিহ্যকে পিছোতেই হবে।
বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চা প্রমোট করার প্রবনতা রয়েছে। জাতীর দুঃখ হয়তো আন্তর্জাতীক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার কিছুটা প্রয়োজনও হয়।কিন্তু এর মধ্যেও গঠনমূলক বিষয়গুলির কিছুটা সমন্বয় থাকতে হবে। অযথা দুঃখবোধ নিরর্থক। এতে সত্যিকারের দুঃখের মধ্যে ভুগে মনের স্বাভাবিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। মানুষও দুঃখময় অতীতে বুঁদ হয়।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন